বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আব্দুল্লাহ-গালিব সৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের খেলায় পাবনা ইগলস জয়ী পাবনায় আদালত চত্বর থেকে সাক্ষী অপহরণ, বাধা দেয়ায় লাঞ্ছিত ৩ আইনজীবী চলনবিলে শীত উপেক্ষা করে কৃষকরা বোরো রোপণে ব্যস্ত ঈশ্বরদীতে শিশু হত্যা মামলায় এক আসামির যাবজ্জীবন চলনবিলাঞ্চলে শীতে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চাটমোহরে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে দুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নির্বাচনী সংঘাতে এলাকাছাড়া পরিবারের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা গ্রহণের দাবিতে পাবনায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাবনায় পদ্মা নদীর বুকে সেই রাস্তা অপসারণ করলো প্রশাসন রূপপুর প্রকল্পে থামছে না চুরি, এবার ক্যাবল চুরি

সুজানগরে যৌতুক ও নারী লোভী শিক্ষকের নির্মতায় দু’সন্তানসহ স্ত্রী বিপাকে

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১
Pabnamail24

পাবনা সুজানগরে যৌতুক নারী লোভী এবং নেশা গ্রস্থ রাইপুর মাজপারা সরবারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইমরান হোসেনের নির্মমতার স্বীকার বিচার প্রার্থী হয়ে দারে দারে ঘুরছে পুত্র ও কন্যা সন্তানসহ স্ত্রী খালেদা আক্তার। খালেদার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাস্তির সুপারিশ করেছেন উপজেলা শিক্ষা কমিটি। সম্প্রতি সুজানগর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রোজিনার সাথে অনৈতিক সম্পর্কের ছবি ভাইরাল হওয়া ঘটনায় ইমরানের সম্পৃক্ততার কথা আসছে সেই বিষয় তদন্তধীন রয়েছে যা দেশের অধিকাংশ মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে। শনিবার দুপুরে সুজানগরে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন নির্যাতিত খালেদা।

অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, সরকারি ব্যাংকে চাকরী করে এমন মিথ্যা কথা বলে ১০ লক্ষ টাকা যৌতুক নিয়ে এবং ৬ লক্ষ টাকা দেনমোহরে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার চরমানিকদির গ্রামের মৃত জালাল মন্ডলের মেযে খালেদা আকতার কে বিয়ে করে একই উপজেলার রাইপুর গ্রামের মৃত আব্দুর হামিদের ছেলে মো. ইমরান হোসেন। বিয়ের পর খালেদা জানতে পারে তার স্বামী সরকারি চাকুরীজীবি নয় সে মিথ্যাচার করেছে, সে একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরী করে। বিয়ের কিছুদিন পর ইমরান সরকারি চাকুরী পাওয়ার জন্য আরো ৬ লক্ষ টাকা দাবি করে স্ত্রীর কাছে। এই টাকা না দেয়ার কথা বললে খালেদার উপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। সংসার বাঁচানোর তাগিদে ৬ লক্ষ টাকা দেয় খালেদার পরিবার। এরপর সে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরী পায়। এরই মাঝে বেশকিছু মেয়ের সাথে এবং ছাত্রীর মাতার সাথে অনৈতিক সম্পর্কের কথা জানতে পারে স্ত্রী খালেদা।

এর ছাড়াও নেশা করার তথ্য জানতে পারে খালেদা। এই সব বিষয় নিষেধ করলে মাঝে মধ্যেই ব্যাপক মারধর শুরু করে ইমরান। খালেদার বাবা মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশ অনুয়ায়ী বাবার জমি বিক্রি করে টাকার আনতে বলে ইমরান। বাবার বাড়ীর টাকা না আনায় নির্যতনের পর আবার ডিভোর্স দিয়েছেন ইমরান। খালেদার বাবা না থাকায় দুই সন্তান নিয়ে ভাইদের কাছে থাকতে হচ্ছে খালেদার। এ ব্যাপারে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সুজানগর থানায় মামলা হয়েছে মোকদ্দমা নম্বর ১০৪/ ২০২১ ও সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সুষ্টু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেছেন।

এ ব্যাপারে ইমরান হোসেন জানান, আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি সুষ্ঠু পারিবারিক পরিবেশ বজায় রাখার কিন্তু সেটা আমার স্ত্রী রাখেনি। পারিবারিক অশান্তির প্রেক্ষিতে ডিভোর্স দিয়েছি আইনি প্রক্রিয়ায়। সবেমাত্র ডিভোর্স হয়েছে আমার বাচ্চাদের ভোরন পোষন দিতে চেষ্টা চালাচ্ছি কিন্তু সে পরিবেশ হয় নাই। আমি ভোরন পোষণ দিতে প্রস্তুত রয়েছি।

এ ব্যাপারে খালেদা বলেন, মিথ্যা কথা বলে ৬ লক্ষ টাকা কাবিনে বিয়ে করে আবার ডিভোর্স দেয় মিথ্যে অপবাদ দিয়ে। ডিভোর্সের পর আবার ৬ লক্ষ টাকার স্থলে ২০ হাজার টাকা কাবিন করে বিয়ে করে এসবই ছিল ওর প্রতারণা। বিয়ের পর থেকে আমার উপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে ইমরান এবং ওর পরিবারের সদস্যরা মিলে। আমি সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য এবং দুই সন্তানের ভবিষতের কথা বিবেচনা করে অনেক সহ্য করেছি।

এখনও যদি সমাজের দায়িত্বশীল মানুষজন আমাকে সংসার করতে বলে আমি সংসার করতে রাজি। কিন্তু তৃতীয় কোন পক্ষের কারণে এবং নেশায় বাধা দেয়ায় আমার স্বামী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে। ইমরানের অনৈতিক কার্যক্রমের বাধা দেয়ার কারণেই আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে আমার সন্তানের নিয়ে কষ্টের সাগরে ভাসছি। আমি এর দৃষ্ঠান্তমুলক শাস্তি চাই।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন

বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!