মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৪:২২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা উজ্জ্বলের বক্তব্যের প্রতিবাদে সুজানগরে মানববন্ধন শুরু হয়েছে দূর্গাপূজা, আজ মহা সপ্তমী পাবনায় ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে পাবনা প্রেসক্লাবের শোক পাবনার হেমায়েতপুর ও মালিগাছায় আওয়ামীলীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্রদ্ধা ভালোবাসায় সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের শেষকৃত্য সম্পন্ন পাবনায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপেলক্ষ্যে মর্জিনা লতিফ ট্রাস্টের বস্ত্র বিতরণ একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের শেষকৃত্য সম্পন্ন পাবনায় ভাইয়ের দায়ের কোপে প্রাণ গেল ইসলামী আন্দোলনের নেতার ঈশ্বরদীতে গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

সাঁথিয়ায় গাছ কেটে ও ভবন ভেঙ্গে হাসপাতালের জায়গায় ঘর নির্মাণে তদন্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
Pabnamail24

পাবনার সাঁথিয়ার ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জায়গার মূল্যবান গাছ ও পুরাতন ঘর ভেঙ্গে গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মানের অভিযোগ দ্বিতীয় দফায় তদন্ত করেছেন পাবনা জেলা সিভিল সার্জন ডা: মনিসর চৌধুরী। শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি ক্ষেতুপাড়া উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন এবং পূর্ব নির্মানকৃত স্থাপনার আলামত গ্রহণ করেন। এর আগে এলাকাবাসীর পক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ একাধিক স্থানে হাসপাতালের জমি রক্ষায় লিখিত অভিযোগ করেন রফিকুল ইসলাম।

ওই স্থানে পূর্বে কোন স্থাপনা ছিল না প্রশাসনের এমন তথ্যেও ভিত্তিতে সাবেক তিন জন ইউপি সদস্য ও পাঁচশতাধিক এলাকাবাসী হাসপাতালের পক্ষে তদন্ত দলের কাছে মুচলেকা প্রদান করেন। এলাকাবাসী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি ঘর নির্মান করা জায়গাটি হাসপাতালের জায়গা। এখানে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের পুরাতন গাছ ছিল। গাছ কেটে ও পুরাতন ভবন ভেঙ্গে সাঁথিয়া উপজেলা প্রাশসন এখানে গুচ্ছগ্রাম তৈরি করেছেন। তারা ইউনিয়নবাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের জায়গা দখলমুক্ত চাই।

গত ২৯ নভেম্বর এক চিঠিতে দালান ভাঙ্গা ও গাছ কাটার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সিভিল সার্জন পাবনা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে চিঠি দেন ক্ষেতুপাড়া উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা। এছাড়াও পাবনা জেলা জজ কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন হাসপাতালের নামে জমি দান করা বাছের প্রামানিকের নাতি বাবু প্রামানিক। যার নং ১৯৮/২১ইং। তার দাবি আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গৃহ নির্মান করেন উপজেলা প্রশাসন। তবে সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জামাল আহমেদ জানান, আদালতের কোন নোটিশ আমি আগে পাইনি। গৃহ নির্মানের শেষ মুহুর্তে ওই নোটিশটি পেয়েছি। এর আগে কেউ এ বিষয়ে কোন অভিযোগও করেনি।

জানা যায়, এলাকার জনসাধারণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সি এস(ডিএস-১৪০) খতিয়ানের মালিক বাছের প্রামানিক বিট্রিশ আমলে(১৯২৬ সালে) উক্ত স্থানে একটি হাসপাতাল নির্মান করেন। যা পরবর্তিতে সরকারি করণ হলে এসএ আমলে জেলা বোর্ডের বরাবর হাসপাতালের নামে বাছের প্রাং নিজস্ব ২ একর তিন শতক জমি রেকর্ড করে দেন। আরএস জরিপ কালিন সময়ে ভ’লক্রমে জেলা প্রশাসক পাবনার নামে জমিটি ১নং খতিয়ানে রেকর্ড হয়।

পাবনা সিভিল সার্জন ডা: মনিসর চৌধুরী জানান, গৃহ নির্মান করা জমি হাসপাতালের কি না সে বিষয়ে আমরা অনুসন্ধান করতে এসেছি। রফিকুল নামক এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা কাগজপত্র ও তথ্য সংগ্রহ করছি। তদন্ত প্রতিবেদন আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাবো।
সাঁথিয়া উপজেলা প.প কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বৈশাখী জানান, আমি সিভিল সার্জনসহ বিভিন্ন স্থানে জমি রক্ষায় চিঠি দিয়েছি। যেখানে গৃহ নির্মান করা হচ্ছে সেখানে হাসপাতালের পুরাতন ভবন ও গাছ ছিল।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন

বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!