বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আব্দুল্লাহ-গালিব সৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের খেলায় পাবনা ইগলস জয়ী পাবনায় আদালত চত্বর থেকে সাক্ষী অপহরণ, বাধা দেয়ায় লাঞ্ছিত ৩ আইনজীবী চলনবিলে শীত উপেক্ষা করে কৃষকরা বোরো রোপণে ব্যস্ত ঈশ্বরদীতে শিশু হত্যা মামলায় এক আসামির যাবজ্জীবন চলনবিলাঞ্চলে শীতে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চাটমোহরে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে দুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নির্বাচনী সংঘাতে এলাকাছাড়া পরিবারের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা গ্রহণের দাবিতে পাবনায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাবনায় পদ্মা নদীর বুকে সেই রাস্তা অপসারণ করলো প্রশাসন রূপপুর প্রকল্পে থামছে না চুরি, এবার ক্যাবল চুরি

মুক্তিযুদ্ধের উপসেনাপতি এ কে খন্দকার অসুস্থ, সিএমএইচে ভর্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২১
Pabnamail24

মুক্তিযুদ্ধের উপ সেনাপ্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) এ কে খন্দকার বীরউত্তম গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, সিএমএইচে ভর্তি আছেন। শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে আইসিউতে রাখা হয়েছে।

তীব্র শ্বাসকষ্ট হওয়ায় বুধবার রাত ১২টার দিকে তাকে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়। তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে পরিবার।

এখন শ্বাসকষ্ট না থাকলেও এ কে খন্দকারের অবস্থা খুব একটা ভাল না বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী ফরিদা খন্দকার। তিনি বলেন, “উনার ফুসফুসে, কিডনিতে ইনফেকশন ধরা পড়েছে। চিকিৎসা চলছে।

প্রসঙ্গত, এ কে খন্দকার ২০০৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা ২ আসন থেকে (বেড়া-সুজানগর) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরে এইচ এম এরশাদের সামরিক শাসনামলে পরিকল্পনামন্ত্রী হন।

এরপর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে পাবনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১১ সালে তিনি স্বাধীনতা পদক পান।

সাত বছর আগে প্রকাশিত তার ‘১৯৭১, ভেতরে বাইরে’ বইটিতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ভুল তথ্য থাকায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। সে সময় সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছাড়েন এ কে খন্দকার।

প্রকাশের চার বছর পর ২০১৯ সালে তিনি বইটির একটি অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করে নেন এবং ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য জাতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার কাছে ক্ষমা চান।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন

বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!