শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

পাবনার ধনাঢ্য ব্যবসায়ীকে ফিল্মি স্টাইলে জোরপূর্বক পাগল সাজিয়ে হাসপাতালে দেয় ছেলে

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
Pabnamail24

পাবনার ধনাঢ্য জোরপূর্বক পাগল সাজানো এক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাজধানীর বসিলা এলাকা থেকে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে পাবনা জেলা পুলিশ।পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এআইজি সোহেল রানা বলেন, পাবনার এক নারী বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং পরিচালিত ‘বাংলাদেশ পুলিশ ফেসবুক পেজ’-এর ইনবক্সে জানান, তার বাবাকে আগের ঘরের (সংসার) ছেলে ও বড় সন্তান কিছু দুষ্কৃতকারীর সহযোগিতায় ১৫ দিন আগে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তার বাবা পাবনা জেলায় একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বহু বছর আগেই ডিভোর্স হয়েছে। প্রথম সন্তানকে তিনি শুরু থেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ আর্থিক সাপোর্ট দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু সেই ছেলে জোরপূর্বক বাবার ব্যবসা দখলের পায়তারা করে। কোনো এক সুযোগে কিছু দুষ্কৃতকারীর সহযোগিতায় প্রথম ঘরের ছেলে তার বাবাকে পথ থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তারপর তাকে ঢাকার কোনো একটি বেসরকারি হাসপাতালে মানসিক রোগী হিসেবে ভর্তি করিয়ে রাখে এবং এক প্রকার ফিল্মি স্টাইলে ভদ্রলোকের ব্যবসা দখল করে।

সোহেল রানা জানান, বার্তা পাওয়ার পর মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত অবগত হয়। এ বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশনা দেয়। পাশাপাশি পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমকে এ বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকির জন্য পরামর্শ দেয়। মাসুদ আলম জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে পরামর্শ করে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। পাবনা জেলা পুলিশের সার্বিক তৎপরতায় স্বল্প সময়ে ভিকটিমের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

শুক্রবার কর্মকর্তা এসআই মো. তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পাবনা জেলা পুলিশের একটি টিম ঢাকার বসিলায় অবস্থিত একটি অখ্যাত মানসিক রোগ হাসপাতাল ও রিহ্যাব সেন্টার থেকে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে বলে জানান এআইজি সোহেল রানা।

ওই ব্যবসায়ীর সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় তার নাম-পরিচয় প্রকাশে অপারগতা প্রকাশ করেছে পুলিশ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন

বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!