রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ভাঙ্গুড়ায় অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে শিক্ষকদের পিটিয়ে অনুষ্ঠান পন্ড করলেন ইউপি চেয়ারম্যান সাঁথিয়ায় বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু জান্নাতুল বাঁচতে চায় নগরবাড়ি-বগুড়া মহাসড়কে ট্রাক চাপায় ভ্যান চালক নিহত সাঁথিয়ায় ক্লিনিকে প্রসুতির মৃত্যু, আপোষের আশ্বাসে তদন্ত বন্ধ! শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ জেলা শাখার রকি সভাপতি-সারোয়ার সম্পাদক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান স্বপনের উপর হামলা, থানায় অভিযোগ দায়ের পাবিপ্রবির সেকশন অফিসারের বিয়ে নিয়ে টালবাহানা করায় গেটে এক তরুণীর আত্মহত্যার চেষ্টা পাবিপ্রবি’র এক শিক্ষার্থীকে মারপিট, আশংকাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ঈশ্বরদীতে চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা সাঁথিয়ায় প্রধান শিক্ষকের হাতে লাঞ্ছিত স্কুলছাত্রী, বিচার চেয়ে ইউএনওর নিগ্রহের শিকার বিক্ষুব্ধ সহপাঠিরা

মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণে যাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২
Pabnamail24

মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণে জেলাতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় জাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা ও করণীয় নির্ধারণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩১ মার্চ বৃহঃবার রাতে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ক্লাব সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পাবনার কৃতিসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, পুলিশ সুপার মোঃ মহিবুল ইসলাম খান, পাবনা ডায়াবেটিস সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন বেবি ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক আফরোজা আক্তার, প্রবীণ সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ।

আলোচকেরা বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের অন্যতম প্রচীন জনপদ বৃহত্তর পাবনা জেলার মুক্তিকামী মানুষের ব্যপক ভুমিকা পালন করেছে। তৎকালীন সময়ে জেলার দায়িত্বশীল জেলা প্রশাসন সংরক্ষিত অস্ত্র ভান্ডার খুলে দিয়েছে জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য। সুসজ্জিত পাকসেনাদের বিরুদ্ধে সামান্য কিছু অস্ত্র নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বাংলার দামাল ছেলেরা। আর পাকিস্তানি সেনারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল।

দেশের প্রাচীনতম এই জেলা মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রথম পাক-হানাদার বাহিনীদের পরাজিত করে স্বাধীন হয়। দেশের প্রথম যে জেলা স্বাধীনতার সংগ্রামে বিশেষ অবদানকারী জেলা হিসাবে এখনো স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। এই জেলাতে ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য নেই কোন সরকারী উদ্যোগ। তাই বর্তমান সময়ে এই সরকারের কাছে জেলা শহর পানাতে মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর ও বঙ্গবন্ধুর কর্ণার স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে জোর দবী জানান আলোচকেরা।
একই সাথে জেলাতে শতবর্ষের ঐতিহ্যমন্ডিত বিভিন্ন স্থাপনা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও ভবনকে সংরক্ষের জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন সকলে।

আলোচনার শুরুতেই মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদ স্মরণে দাঁড়িয়ে একমিনিট নীরবতা পালন করেন উপস্থিত সকলে। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাব সম্পাদক সৌকত আফরোজ আসাদ।

এ সময় আলোচনায় অংশগহণ করেন প্রবীন সাংবাদিক আব্দু মতিন খান, সাংবাদিক উৎপল মির্জা, গবেষক ড. আব্দুল আলীম, সাংবাদিক রাজিউর রহমান রুমি, তরুন সাংবাদিক রিজভী জয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংবাদিক পাভেল মৃধা। ঘন্টাব্যাপী চলা মতবিনিময় সভার অয়োজক পাবনা প্রেসক্লাব।

শেয়ার করুন

বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!