রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বড়াল নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়, কোটি টাকার বাণিজ্য পাবনায় ২ হাজার কৃষকের মাঝে এমপি প্রিন্স’র বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ ঈশ্বরদীতে যুবকের মৃত্যু, করোনায় আক্রান্ত ছিল বলে দাবী এলাকাবাসীর পাবনার ধনাঢ্য ব্যবসায়ীকে ফিল্মি স্টাইলে জোরপূর্বক পাগল সাজিয়ে হাসপাতালে দেয় ছেলে পাবনা পৌর এলাকার মাঠপাড়ায় এমপি প্রিন্স’র ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অপহরণের পর লাখ টাকা চাঁদা দাবি, বিকাশের এজেন্ট সেজে উদ্ধার করল পুলিশ সাঁথিয়ায় যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে লুট হওয়া গরু উদ্ধার আটঘরিয়ায় অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ, মা-বাবাসহ গ্রেপ্তার ৩ সাঁথিয়ায় আ’লীগ নেতার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ঘর দেয়ায় অর্থ নেয়ার সত্যতা মিলেছে আটঘরিয়ায় লকডাউনের প্রথম দিনে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

চাটমোহরে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে বোরো আবাদ ব্যাহত

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
Pabnamail24

পাবনার চাটমোহরে চৈত্রের তাপদাহে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। শ্যালো মেশিনে পানি না উঠায় বোরো চাষাবাদ নিয়ে কৃষক পড়েছেন মহা বিপাকে। দীর্ঘ সময়ে অনাবৃষ্টির কারণে এ সমস্য হচ্ছে বলে কৃষকরা দাবি করছেন।

কৃষকরা জানায়, ১০০ থেকে ১২০ ফুট গভীরে পাইপ বসিয়েও মিলছে না পানি। পানির স্তর নাগালে পেতে অনেকে ৫-৭ ফুট পর্যন্ত মাটি গর্ত করে সেখানে শ্যালো মেশিন বসিয়ে পানি তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। শুকিয়ে যাওয়া গুমানী, চিকনাই ও বড়াল নদীর তলদেশে শ্যালো মেশিন বসিয়ে পানি তোলা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পানি না পেলে বোরো উৎপাদন হ্রাস পাবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

উপজেলার নিমাইচড়া, হান্ডিয়াল ও হরিপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠে বোরো আবাদের জমিতে দেখা যায়, অনেক বোরো চাষি গভীর নলকূপ স্থাপনের পরও জমিতে সেচ কাজে আশানুরূপ পানি পাচ্ছেন না। তারা গর্তের মধ্যে মেশিন বসিয়ে পানি তোলার চেষ্টা করছেন। অনেকে আবার নদীতে পাইপ স্থাপন করে পানি তুলছেন। শুধু ফসলের মাঠে নয়, নলকূপ দিয়ে পানি পেতে সমস্যা হচ্ছে। অকেজো হয়ে পড়েছে অনেক হস্তচালিত নলকূপ।

ভুক্তভোগী বোরো রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য চাষিরা জানান, ১০০-১২০ ফুট গভীরে পাইপ বসিয়েও সেচ কাজের জন্য ঠিক মতো পানি পাওয়া যাচ্ছে না। শ্যালো মেশিনে পানি কম ওঠায় বোরো চাষাবাদে জ্বালানি খরচ বেড়ে গেছে। সেচ কাজে সময় বেশি লাগছে। বসতবাড়িতে পানি সমস্যায় নলকূপ আলাদা-আলাদা স্থানে স্থাপন করে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

উপজেলা বিএডিসির পানাসি প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব মো. ফারুক আহমেদ বলেন, সাধারণত ১০০-১২০ ফিট গভীর পর্যন্ত পাইপ বসালে সেচের পানি পাওয়া যায়। তবে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় বর্তমানে এ গভীরতায় সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টি হলেই পানির লেয়ার স্বাভাবিক হবে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন জানান, হস্তচালিত অধিকাংশ নলকূপ অকেজো হয়ে পড়েছে। সাব মারসিবল বসিয়ে পানি তোলা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুম বিল্লাহ বলেন, চলনবিলের নদী, ডোবা, নালা ও খালে পানি থাকলে বোরো চাষিদের সেচ কাজে অসুবিধা হতো না। বৃষ্টি হলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর কিছুটা ওপরে উঠবে। নয়তো বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে পানির স্তর বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এতে বোরো ধানের ফলনে প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া অনা বৃষ্টির কারণে আম ও লিচুর গুটি ঝড়ে পড়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *