বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আব্দুল্লাহ-গালিব সৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের খেলায় পাবনা ইগলস জয়ী পাবনায় আদালত চত্বর থেকে সাক্ষী অপহরণ, বাধা দেয়ায় লাঞ্ছিত ৩ আইনজীবী চলনবিলে শীত উপেক্ষা করে কৃষকরা বোরো রোপণে ব্যস্ত ঈশ্বরদীতে শিশু হত্যা মামলায় এক আসামির যাবজ্জীবন চলনবিলাঞ্চলে শীতে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চাটমোহরে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে দুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নির্বাচনী সংঘাতে এলাকাছাড়া পরিবারের সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা গ্রহণের দাবিতে পাবনায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাবনায় পদ্মা নদীর বুকে সেই রাস্তা অপসারণ করলো প্রশাসন রূপপুর প্রকল্পে থামছে না চুরি, এবার ক্যাবল চুরি

অটোরিকশা যাত্রীর হারানো দেড়লাখ টাকা খুঁজে দিলো পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১
Pabnamail24

রোববার (২৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ঈশ্বরদী থেকে পাবনা আসছিলেন পৌর পল্লী ফাউন্ডেশনে কর্মরত শামিম হোসেন। নামার সময় তার সঙ্গে থাকা এক লাখ ৫৫ হাজার টাকার একটি ব্যাগ ও দুটি মোবাইল ফোন ভুল করে অটোরিকশায় রেখে যান। পরে অনেক খোঁজ করেও অটোরিকশা ও টাকার সন্ধান পাননি। পরে রাতেই বিষয়টি পুলিশকে জানান।

পাবনা জেলা পুলিশের সদর ফাঁড়ির একটি টিম রোববার সারারাত অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা চালকের সন্ধান পান এবং হারানো টাকা উদ্ধার করে দেয়।

পাবনা সদর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ আবুল কালাম জানান, রাত একটার দিকে তিনি ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেলেন। এ সময় ভুক্তভোগী শামীম হোসেনের এক আত্মীয় তন্ময় হোসেন তার কাছে হন্তদন্ত হয়ে আসেন। তিনি তার আত্মীয়ের টাকা হারানোর কথা জানান।

তিনি আরও জানান, ওই অটোরিকশাটি দাশুড়িয়া পাম্প থেকে গ্যাস নিয়েছিল। ঈশ্বরদী থানা পুলিশের সহায়তায় সেখান থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। পরে অন্য অটোরিকশা চালকদের সহায়তায় তারা ওই অটোরিকশা চালকের নাম মাসুম শেখ (৩৫) ও মালিক শহরের গোবিন্দা মহল্লার বাসিন্দা সাবুর নাম জানতে পারেন।

টাকার ব্যাগ পাওয়া যায়নি। সাবুর ঘরেও টাকা ছিল না। পরে মাসুমের ভাবির সহযোগিতায় মাসুমের ভাড়া বাসা শনাক্ত করে পুলিশ। পুলিশের টিম মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে তিনি অস্বীকার করেন। পরে পুলিশ তাকে অভয় দিলে তিনি টাকার ব্যাগ এবং মোবাইল ফোন পাওয়ার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, টাকার ব্যাগ থেকে ২২ হাজার টাকা তিনি তার বন্ধু আল-আমিনকে দিয়েছেন। চার হাজার টাকা নিজে খরচ করেছেন। আর অবশিষ্ট টাকা তিনি তার এক আত্মীয়ের বাসায় রেখে এসেছেন।

পুলিশের টিম মাসুমের বন্ধু আল-আমিনের বাসায় গিয়ে তার কাছ থেকে দুই হাজার টাকা উদ্ধার করে। পরে মাসুমের আত্মীয়ের বাসা থেকে অবশিষ্ট টাকা ও মোবাইল ফোন দুটি উদ্ধার করা হয়। এতে গণনা করে এক লাখ ৫১ হাজার টাকা পাওয়া যায়। টাকার মালিক ঈশ্বরদীর পৌর পল্লী ফাউন্ডেশনে কর্মরত শামীম হোসেন খুশি হয়ে অটোরিকশা চালক মাসুমকে দুই হাজার টাকা এবং তার ভাবিকে এক হাজার টাকা দেন। শামীম বাকি এক লাখ ৪৮ হাজার টাকা পুলিশের আভিযানিক টিমের কাছ থেকে বুঝে নেন। শামীম হোসেন জানান, এতো গভীর রাতে পুলিশ সদস্যদের এমন আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতায় তিনি মুগ্ধ। পুলিশ জনগণের সত্যিই বন্ধু তিনি নিজে তার প্রমাণ পেলেন বলে জানান। পাবনা পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খাঁন জানান, পুলিশ তার দায়িত্ব পালন করেছে। পাবনা জেলা পুলিশ জনসেবায় অহর্নিশ-এ স্লোগান নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সে কাজের এটি একটি সফল উদাহরণ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন

বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!