শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের শেষকৃত্য সম্পন্ন পাবনায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপেলক্ষ্যে মর্জিনা লতিফ ট্রাস্টের বস্ত্র বিতরণ একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের শেষকৃত্য সম্পন্ন পাবনায় ভাইয়ের দায়ের কোপে প্রাণ গেল ইসলামী আন্দোলনের নেতার ঈশ্বরদীতে গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আবারও ডেঙ্গু আক্রান্ত শ্রমিকের মৃত্যু ফরিদপুরে মন্দিরের জায়গা দখল করে মেয়রের কোটি টাকার বাণিজ্য মেলা! উৎসবমুখর পরিবেশে পাবিপ্রবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন প্রতারণার অভিযোগ, সুজানগরে আ. লীগের নেতা উজ্জ্বলকে অবরুদ্ধ করে টাকা ফেরতের দাবী ও আলোর পথযাত্রী, এখানে থেমো না!

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের ভারে ভারাক্রান্ত বেড়ার মাশুন্দিয়া ডিগ্রি কলেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০২২
Pabnamail24

পাবনার বেড়া উপজেলার মাশুন্দিয়া ভবানীপুর কে.জে.বি ডিগ্রি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস ছালাম বিশ্বাস গত প্রায় ৩ বছর ধরে বিধি বহির্ভূতভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রকাশ্যে বি.এন.পি’র দাপটশালী নেতা হিসেবে সর্বজন বিদিত ওই শিক্ষক কলেজের অর্থ আত্মসাতের কু-মতলব হাসিলের জন্য গভর্নিং বডির কাছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি গোপন করে ও ভুল বুঝিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন বলে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য ও দুর্নীতি দমন কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ঐ কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল মন্নাফ সরকার।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, ওই কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ মো. আব্দুল গণি ২০১৭ সালে চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করলে তাকে ১ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে ২০১৮ সালে অর্থনীতি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমানকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যায়ের বিধি মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারও মেয়াদ ১ বছর পূর্ণ হলে তার পরিবর্তে বিধি অমান্য করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যায়ের অধিভূক্ত/স্বীকৃত বিষয়ের বাইরে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুস ছালাম বিশ্বাসকে ২০১৯ সালে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পদার্থ বিজ্ঞান বিষয় অত্র কলেজে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের অধিভূক্ত/স্বীকৃত বিষয় না হওয়ায় (শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিকের অনুমোদিত বিষয়) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন সম্পূর্ন অবৈধ। ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক রেগুলেশন (সংশোধিত) ২০১৯’ এর ৪ (ক) এর ২ নং বিধি এবং সদ্য প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন স্মারক নং-০৭(১৫২৫) জাতীঃ বিঃ/কঃ পঃ ৫৪৬১৪ সূত্র নং-০৭ (১৫২৫) জাতীঃ বিঃ/কঃপঃ/বিবিধ-৫১৭৫১ মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ৬ (ছয়) মাসের বেশি, যুক্তি সংগত কারণে ১ (এক) বছরের মধ্যে নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগ দান করতে ব্যর্থ হলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের স্বাক্ষরকৃত কাগজপত্র ও কার্যবিবরণী জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক স্বীকৃত অথবা গৃহীত হবে না। অথচ, অত্র কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তিন বছরের অধিক সময় কমিটির কতিপয় সদস্যের সহযোগিতায় বিধি বহির্ভূতভাবে দায়িত্ব পালন করায় তার স্বাক্ষরকৃত গত প্রায় তিন বছরের সমস্ত কার্যাবলী সম্পূর্ণ অবৈধ।

‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের চাকুরীর শর্তাবলী রেগুলেশন-এ স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত কলেজে অধ্যক্ষ পদ শূন্য হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অধিভূক্ত/স্বীকৃত বিষয়সমূহের শিক্ষকদের মধ্য হতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করতে হবে। অত্র প্রতিষ্ঠানে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক অধিভূক্ত/স্বীকৃত বিষয়ের বেশ কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও বিধি বহির্ভূতভাবে উচ্চ মাধ্যমিকের পঠিত বিষয়ের শিক্ষক মো. আব্দুস ছালাম বিশ্বসকে কেন নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দিয়ে ৩ বছর বহাল রাখা হয়েছে, তা কারোরই বোধগম্য নয়।
অত্র কলেজে একাধিকবার অধ্যক্ষ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর যোগ্যতাসম্পন্ন বেশ কয়েকজন প্রার্থী আবেদন করলেও অধ্যক্ষ নিয়োগের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে বরং প্রার্থীদের আবেদন গায়েব করে দেন অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। কোন আবেদনপত্র জমা পড়েনি বলে গভর্নিং বডির কাছে তিনি প্রচার করেন। বস্তুত আবেদনকারীরা নিয়োগ লাভের জন্য উপযুক্ত ডিমান্ড (ঘুষ/উৎকোচ) পূরণ করতে রাজি না হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম বিশ্বাস কোন নিয়োগ কমিটি গঠন না করে প্রার্থীদের আবেদন গায়েব করে দিচ্ছেন বলে কলেজর সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যাক্তির সূত্রে জানা যায়। কলেজ গভর্নিং বডির বর্তমান সভাপতি আব্দুল আজিজ খান এবং অন্যান্য সদস্যরা জনবল কাঠামো সম্পর্কে পুরোপুরিভাবে অবগত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম বিশ্বাস তাদের সাথে প্রতারণা করে অবৈধভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন বলে জানান গভর্নিং বডির জনৈক সদস্য। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী অধিভূক্ত/স্বীকৃত আওয়ামীপন্থী, সৎ ও নিষ্ঠাবান কয়েকজন শিক্ষক কলেজে থাকার পরেও প্রশাসক হিসেবে সম্পূর্ণ অযোগ্য আব্দুস ছালাম বিশ্বাসকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়ায় কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং এলাকার সুশীল সমাজ চরমভাবে মর্মাহত।

অনুসন্ধানে আরও ভয়াবহ তথ্যে জানা যায়, গত ৩ বছরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম বিশ্বাস অখন্ড- (একটানা) দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই অপকর্ম ধামাচাপা দেবার জন্য সম্প্রতি গভর্নিং বডিকে ম্যানেজ করে ব্যাক ডেটে (পূর্বের তারিখ) কয়েকটি রেজুলেশন তৈরি করেছেন। নভেম্বর ২০২১ সালে একটি রেজুলেশনে ওই কলেজের জীব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. হেদায়েত উল্লাহকে (দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান এবং পরবর্তী কয়েকদিন পরেই ১৯/১১/২০২১ তারিখে অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করে তার অব্যাহতির আরেক রেজুলেশন লিখে রেখেছেন। অন্য আরেকটি রেজুলেশনে সম্প্রতি রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডিজি তৌহিদুজ্জামানকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিয়ে ২০দিন পরে পুনরায় অব্যাহতির রেজুলেশন লিখে নেন। ওই দুইজনের কেউই একদিনের জন্যও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেননি। দুইজনই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম বিশ্বাসের ঘনিষ্ট বন্ধু। আইনের চোখে ধুলা দেবার জন্য কাগজে-কলমে এমন মিথ্যাচার করে তিনি নিজেকে জায়েজ করার জন্য অদ্ভূত এই রেজুলেশন তৈরি করেছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। রেজুলেশনে উল্লিখিত ওই তারিখগুলোতে কলেজের ইস্যুকৃত যে কোন কাগজপত্রের সীল-স্বাক্ষর ঘাটলেই এর সত্যতা মিলবে। আর তার এই কাজে বরাবরই সহায়তা করে চলেছেন গভর্নিং বডির কয়েকজন স্থানীয় সদস্য।

আপনি যে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছিলেন তা কি শুধুই কাগজে-কলমে নাকি চেয়ারেও বসেছিলেন? আমরা শুনেছি দীর্ঘদিন ধরে আপনি চরমভাবে অসুস্থ আছেন। এই অসুস্থ অবস্থায় কেন দায়িত্ব নিয়েছিলেন? চেয়ারে যদি দায়িত্ব পালন করে থাকেন, তবে তা কলেজের একজন শিক্ষক-কর্মচারীও কেন জানেন না? রেজুলেশন বা কাগজে কলমে দায়িত্ব পালনকালে কলেজের কোথাও আপনার কোন সীল-স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছিল কি?- এসব প্রশ্নের জবাবে ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে কাগজে-কলমে-রেজুলেশনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত জীব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হেদায়েত উল্লাহ জানান, তিনি অসুস্থ ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের চেয়ারেও বসেননি। তার দায়িত্ব কয়েকদিনের জন্য কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল। তার কোন সীল-স্বাক্ষরও ব্যবহার হয়নি বলে এ প্রতিনিধির কাছে স্বীকার করেন। একই জাতীয় প্রশ্নের জবাবের জন্য ফোন করা হয় ২০২২ সালের মে মাসে কাগজে-কলমে-রেজুলেশনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ডিজি তৌহিদুজ্জামানকে। একাধিকবার বার মুঠোফোনে ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে অত্র কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতির নিকট স্থানীয় নেতৃবর্গ মৌখিকভাবে অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইপূর্বক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম বিশ্বাস কে দ্রুত এই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিধিসম্মতভাবে স্থায়ীভাবে অধ্যক্ষ নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করে কলেজের সার্বিক শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও এলাকাবাসী।

ঐ কলেজের গণিত বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক বিশ্বনাথ দত্ত প্রায় ৫ বছর আগে সপরিবারে ভারতে চলে যান। মাঝেমধ্যে তিনি ভারত থেকে দেশে এসে কলেজে হাজিরা দিয়ে যান। তবে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে গত প্রায় ১ বছরের অধিক সময় ধরে বিনা ছুটিতে ভারতে অবস্থান করায় তার স্বাক্ষর জাল করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম বিশ্বাস ও বিশ্বনাথ দত্তের ভাই সুনিল দত্তের যোগসাজসে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন। এ নিয়ে গত সোমবার ৮ আগস্ট ‘‘ভারতে বসবাস, বাংলাদেশে চাকরি, কৌশলে বেতন’’ শিরোনামে বিভিন্ন প্রতিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এরপর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম এ প্রতিবেদকের কাছে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন বিশ্বনাথ দত্তের অসুস্থতার দিক বিবেচনা করে মানবিক দিক থেকে তার বেতন শীটে আমরা স্বাক্ষর করে দিতাম। এরপর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম বিশ্বাস নিজেকে সাধু পরিচয় দিতে বিশ্বনাথ দত্তকে ৮ আগস্ট ভারত থেকে তারাহুড়ো করে দেশে নিয়ে এসেছেন। এবং ব্যাকডেটে পুরোনো কাগজপত্র ঠিকঠাক করছেন বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে।

এসব অনিয়মের বিষয়ে অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম বিশ্বাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনপ্রকার সদুত্তর দিতে পারেননি। বরং আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, আমি যা কিছুই করেছি গভর্নিং বডির সাথে আলোচনা করেই করেছি।

এ ব্যাপারে গভর্নিং বডির সভাপতি আব্দুল আজিজ খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি যদি ব্ল্যাকমেইল করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে থাকেন, তবে আমি নিজে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের বিধি বা পরিপত্র অনুযায়ী তিনি যদি থাকতে না পারেন, তবে আমি তাকে ওই পদে রাখবো না। যে কোন অনিয়ম চোখে পড়লে আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

জাতীয় বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বহির্ভূতভাবে কিভাবে আব্দুস ছালাম বিশ্বাস দায়িত্ব পালন করছেন- এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা মো. খবির উদ্দিনকে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা মাধ্যমিক কলেজগুলো ডিল করি। ডিগ্রি কলেজের বিধিতে কী আছে আমার জানা নেই। বিধি না দেখে আমি কোন মন্তব্য করতে পারবো না।’

আপনার যদি বিধি সম্পর্কেই কোন কিছু জানা না থাকে, তাহলে সুষ্ঠু তদন্ত করবেন কিভাবে?- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তদন্তের দায়িত্বে তো আমি একা নেই, আমরা তিনজন তদন্তের দায়িত্বে আছি সমস্যা হবে না।’

বেড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহা. সবুর আলী জানান, এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন

বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!