রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ভাঙ্গুড়ায় অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে শিক্ষকদের পিটিয়ে অনুষ্ঠান পন্ড করলেন ইউপি চেয়ারম্যান সাঁথিয়ায় বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু জান্নাতুল বাঁচতে চায় নগরবাড়ি-বগুড়া মহাসড়কে ট্রাক চাপায় ভ্যান চালক নিহত সাঁথিয়ায় ক্লিনিকে প্রসুতির মৃত্যু, আপোষের আশ্বাসে তদন্ত বন্ধ! শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ জেলা শাখার রকি সভাপতি-সারোয়ার সম্পাদক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান স্বপনের উপর হামলা, থানায় অভিযোগ দায়ের পাবিপ্রবির সেকশন অফিসারের বিয়ে নিয়ে টালবাহানা করায় গেটে এক তরুণীর আত্মহত্যার চেষ্টা পাবিপ্রবি’র এক শিক্ষার্থীকে মারপিট, আশংকাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ঈশ্বরদীতে চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা সাঁথিয়ায় প্রধান শিক্ষকের হাতে লাঞ্ছিত স্কুলছাত্রী, বিচার চেয়ে ইউএনওর নিগ্রহের শিকার বিক্ষুব্ধ সহপাঠিরা

অধ্যক্ষ ছাড়া চলছে ঈশ্বরদী সরকারী কলেজ, প্রসাশনিক কাজ বিঘ্নিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম
  • প্রকাশিত বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২
Pabnamail24

অধ্যক্ষ ছাড়াই চলছে পাবনা জেলার ২য় শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ। নতুন অধ্যক্ষ পদায়ন না হওয়ায় ১৭ মাস ধরে উপাধ্যক্ষ কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে কার্যক্রম চলছিল কলেজের প্রশাসনিক কাজ। কলেজের সর্বশেষ অধ্যক্ষ ছিলেন প্রফেসর আব্দুর রহিম। তিনি ২০২০ সালের ২১ জুলাই কলেজ থেকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নিয়ম অনুযায়ী বদলী হয়ে যান। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের এক আদেশ জারির মাধ্যমে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে উপধ্যক্ষ প্রফেসর ড.জাকিরুল হক কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়।দীর্ঘ ১৭ মাস কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে। গত বছরের ২১ ডিসেম্বর কলেজ থেকে তাকে চাকরি জীবনের সমাপ্তের বিদায় দেয়া হয়।পরে কলেজে খুঁটি নাটি সার্বিক দায়িত্ব পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাফিজা খাতুনের উপর অর্পন করা হলেও অর্থনৈতিক ফান্ডের ক্ষমতা না থাকায় কলেজের একাডেমিক প্রসাশনিক কোন কাজ করা যাচ্ছে না বলে কলেজের সকল শিক্ষক রা জানান। এদিকে দীর্ঘ ১ মাস পার হলেও ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে অধ্যক্ষের পদ খালি থাকলেও শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক কোন অধ্যক্ষ এখনো পদায়ন হয়নি বলে জানা যায়।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, ৫৮ বছর ধরে এই অঞ্চলের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ। ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি প্রথমে উচ্চ মাধ্যমিক দিয়ে যাত্রা শুরু করে,পরে জাতীয়করণ করা হয় ১৯৮৩ সালে ১ জুলাই।পরবর্তীকালে কলেজে ডিগ্রি ও অনার্স কোর্স চালু হয়। বর্তমানে কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি ও ১২ টি বিভাগে অনার্স সহ ১০ হাজার ছাত্র ছাত্রী রয়েছে।পাশাপাশি মাষ্টার্স কোর্স চালু করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।কলেজে শিক্ষকের পদ ৫৮ টি। এর মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে ১৬ টি পদই শূন্য রয়েছে। আর কর্মরত রয়েছেন ৪০ জন শিক্ষক।অধ্যক্ষ ও উপধ্যক্ষ পদ রয়েছে শূন্য।কলেজ সুত্রে আর ও জানা যায়,অধ্যক্ষ না থাকায় কলেজে ২৫ জন মাষ্টার রুলে বিভিন্ন বিভাগে দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত থাকা কর্মচারী ও দীর্ঘদিন ধরে ১৬ টি শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় ১২ জন অতিথি শিক্ষক কে বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।কলেজের প্রসাশনিক কাজ সহ একাডেমিক শিক্ষা কার্যক্রম ও অনেক টা ব্যাহত হচ্ছে।

কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যক্ষ স্যার না থাকায় সকল কাজের জন্যই সহযোগী অধ্যাপক হাফিজা ম্যাডামের কাছে যেতে হয়। তখন দেখা যায় ম্যাডাম কোন না কোন অফিশিয়াল কাজে ব্যস্ত আছেন। বিভাগের কাজের পাশাপাশি দুটি পদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ম্যাডামের ওপর অধিক কাজের চাপ পড়ছে। ফলে অনেক কাজ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হচ্ছে না। তারা আর ও বলেন,অধ্যক্ষ স্যার না থাকায় আমরা বিভিন্ন সমস্যা সম্মুখীন হচ্ছি।অনেক সময় দারিদ্র শিক্ষার্থীরা যে সুযোগ গুলো পাওয়ার কথা সেগুলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই শিগগিরই নতুন অধ্যক্ষের পদায়ন দরকার।

কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজা খাতুন বলেন, আর্থিক ক্ষমতা না থাকায় প্রশাসনিক যেকোন কাজ করতেই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছি। কলেজের শীর্ষ পদটি শূন্য থাকায় কলেজের প্রশাসনিক কাজের জন্য সম্পন্ন হতে বিঘ্নিত হচ্ছে।তবে আমরা কলেজের সকল সিনিয়র শিক্ষকরা মিলে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি,আমাদের অসুবিধা গুলো আমরা জানাচ্ছি।আসা করি অতি শীঘ্রই এখানে অধ্যক্ষ পদায়ন করবে বলে আমি মনে করি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন

বিভাগের আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!